
সত্য ও ন্যায়ের প্রশ্নে আপসহীন সংবাদকর্মী তৌসিফ মাহমুদ। ষড়যন্ত্র, ভয়ভীতি কিংবা কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করার মানুষ নন তিনি। নিজের আদর্শ, নীতি ও পেশাগত দায়িত্বের প্রতি অবিচল থেকে সাহসিকতার সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।
তাঁর স্পষ্ট অবস্থান, সাংবাদিকতা কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের মাধ্যম নয়; বরং সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরা, সাধারণ মানুষের অধিকার ও সমস্যার কথা বলা এবং অন্যায়-অনিয়মের বিরুদ্ধে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করাই একজন সংবাদকর্মীর প্রধান দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা স্বার্থান্বেষী মহলের কাছে আপস করার প্রশ্নই আসে না।
তৌসিফ মাহমুদ বলেন, “ষড়যন্ত্র করে কোনো লাভ নেই। মৃত্যুর ভয় আমার নেই। সত্যের পথে আছি, সত্যের পথেই থাকব ইনশাআল্লাহ। কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করব না। অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি ও জনস্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমার কলম সবসময় চলবে। কোনো ভয়ভীতি, হুমকি কিংবা ষড়যন্ত্র আমাকে আমার আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না। আমি সত্যকে ভালোবাসি, ন্যায়ের পক্ষে থাকতে চাই। কারও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করিনি, ভবিষ্যতেও করব না।”
তিনি আরও বলেন, একজন সংবাদকর্মীর সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে তাঁর সততা, সাহস ও বস্তুনিষ্ঠতা। মানুষের আস্থা অর্জন করতে হলে সত্যের সঙ্গে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত বিরোধ কিংবা কারও স্বার্থের কারণে সাংবাদিকতার নীতি ও আদর্শ বিসর্জন দেওয়া যায় না। সমালোচনা থাকলে যুক্তি ও তথ্য-প্রমাণের মাধ্যমে তার জবাব দেওয়া উচিত।
তাঁর মতে, সত্য প্রকাশের পথ সবসময় সহজ না হলেও আদর্শ থেকে সরে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং সাধারণ মানুষের পক্ষে অবস্থান নেওয়া তাঁর পেশাগত ও নৈতিক দায়িত্ব। তাই সব পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষতা, পেশাগত সততা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যেতে চান তিনি।
সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, সংবাদকর্মীদের পেশাগত মর্যাদা এবং সত্য প্রকাশের অধিকার অক্ষুণ্ন রাখা অত্যন্ত জরুরি। কোনো সংবাদকর্মী যেন অন্যায় চাপ কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে তাঁর পেশাগত দায়িত্ব পালনে বাধাগ্রস্ত না হন, সেটিই প্রত্যাশা।
সবশেষে তৌসিফ মাহমুদের দৃঢ় প্রত্যয়, ভয় দেখিয়ে নয়, সত্যের শক্তিতেই এগিয়ে যেতে চান তিনি। কলম থামবে না, আদর্শের সঙ্গে আপস হবে না। ষড়যন্ত্র যতই হোক, কোনো অপশক্তির কাছে মাথা নত করবেন না। সত্য ও ন্যায়ের পথে ছিলেন, আছেন এবং ইনশাআল্লাহ আজীবন থাকবেন।