
সুনামগঞ্জ-৪ (সুনামগঞ্জ সদর–বিশ্বম্ভরপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও চাঁদাবাজির অভিযোগকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব অভিযোগের পেছনে ঠিকাদার, প্রকৌশলী ও আওয়ামী লীগপন্থী কয়েকজন ব্যক্তির যোগসাজশে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছেন তাঁর সমর্থকরা।
তাঁদের দাবি, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এসব অভিযোগ সামনে আনা হয়ে থাকতে পারে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সমর্থকদের ভাষ্য, সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছে সরাসরি জানতে চাইলেই অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও জনসম্পৃক্ততা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। তাঁদের মতে, তিনি এলাকার বিভিন্ন স্থানে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে চলেছেন এবং দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছেন।
তাঁর সমর্থকদের আরও দাবি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ও তিনি ছাত্রনেতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন। তাঁদের মতে, একজন জনবান্ধব ও মানবিক মানুষ হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে।
এদিকে, একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ওঠা যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করাও সমীচীন নয়। তাই প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁর সমর্থকরা।
তাঁরা সুনামগঞ্জ সদর থানা, বিশ্বম্ভরপুর থানা, জেলা প্রশাসক এবং পুলিশ সুপারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, অভিযোগগুলোর বিষয়ে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য জনসম্মুখে তুলে ধরার জন্য।
প্রত্যাশা:** কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের প্রতি পক্ষপাত নয়, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশই আমাদের অঙ্গীকার। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য তুলে ধরার মাধ্যমে আমরা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা অব্যাহত রাখতে চাই।
সুন্দর সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মাদককে না বলুন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ুন।