
শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতার বিকাশ এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শ নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে গাজীপুরের শ্রীপুরে ‘নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৩১ অক্টোবর ২০২৬, শনিবার সকাল ৯টায় কবরঘাটা চতুরঙ্গ যুব উন্নয়ন সমবায় সংঘের উদ্যোগে ক্লাব প্রাঙ্গণে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী এই প্রতিযোগিতায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে।
সংগঠনের সভাপতি আবু হানিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওনা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ১ নম্বর মাওনা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ মোঃআরিফুল ইসলাম সরকার। প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন শ্রীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মফিজুল ইসলাম বুলবুল।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীপুর উপজেলা কৃষকদলের সদস্য সচিব মো. হুমায়ুন কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী সাইদুর রহমান সুরুজ, মাতবর বাড়ি বাজার কমিটির সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন, গাজীপুর চৌরাস্তার মেডিপ্যাথ হাসপাতালের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম আমেজ, কবরঘাটা চতুরঙ্গ যুব উন্নয়ন সমবায় সংঘের সাবেক সভাপতি কামাল আহমেদ এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামালসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন বাঘের বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান আসাদ, গীতিকার ও লেখক মহসিন আহমেদ এবং আর্টিস্ট ও সাংবাদিক সৈয়দ মো. কবির হোসেন। প্রতিযোগিতা শেষে অংশগ্রহণকারী তিন শতাধিক ক্ষুদে শিল্পীর মধ্য থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।

আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মো. করিম এবং সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামরুল হাসানসহ অন্যান্য সদস্যদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানটিতে পুরস্কার সহযোগিতায় ছিল ‘আল হেরা মেডিকেল’ এবং ‘উত্তরা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’।
আয়োজকদের মতে, চিত্রাঙ্কন কেবল ছবি আঁকার মাধ্যম নয়; এটি শিশুদের কল্পনাশক্তি, মননশীলতা ও নান্দনিক বোধ বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য, সাম্য, মানবতা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়ে দিতেই এই আয়োজন করা হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ শিশু-কিশোরদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।