শিরোনাম :
বাঘারপাড়ায় নদীর তীর ঘিরে চলাচলে সংকট, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি শৈলকুপায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ৭ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি থেকে শ্যামলী সূত্রধরকে অব্যাহতি। সারা দেশের মত আজ হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গাপূজার দশমী সিলেটে ও সম্পন্ন। শ্রীমঙ্গলে শান্তিপূর্ণভাবে বিজয়া দশমীর প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ, মহাসড়ক অবরোধ বেলাবোতে বিএনপির সভাপতি লাল মিয়ার ৮টি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন ও আর্থিক সহায়তা প্রদান রাষ্ট্রের প্রতিটি ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা গেলে দুর্নীতির সুযোগ কমে আসবে, আসাদুজ্জামান ইউপি নির্বাচনে মুনাফেকি করলে দলে তাদের কোনো জায়গা হবে না: আইনমন্ত্রী ঝিনাইদহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩০ বাড়িঘর ও দোকান ভাংচুরের অভিযোগ

ঝিনাইদহে শিশু সাবা হত্যা মামলায় প্রতিবেশী নারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক: রিয়েল খবর
  • আপডেটের সময় : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯৮ সময়-দৃশ্য

 

ঝিনাইদহ শহরের পবহাটিতে আলোচিত শিশু সাইমা আক্তার সাবা হত্যা মামলার একমাত্র আসামী শান্তনা খাতুনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঝিনাইদহ শহরের পবহাটি গ্রামের শিশু সাবা কে গত বছরের ৩ ডিসেম্বর হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। দণ্ডপ্রাপ্ত শান্তনা খাতুন নিহত শিশু সাইমা আক্তার সাবা’র প্রতিবেশী।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঝিনাইদহ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ম আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন।

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর সকালে পবহাটি গ্রামের সাইদুল ইসলামের সাড়ে তিন বছরের মেয়ে সাইমা আক্তার সাবা বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরে শিশুটির বাবা ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরে ওই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে একই গ্রামের প্রতিবেশী আক্তারুজ্জামান মাসুমের ঘরের ভেতর থেকে শিশু সাবার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মাসুমের স্ত্রী শান্তনা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার তদন্ত শেষে ঝিনাইদহ সদর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মনোজ কুমার ঘোষ গত ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় মোট ২৭ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন।

এর আগে মামলায় গ্রেফতারের পরে জবানবন্দিতে আসামী দাবি করেন, ঘটনার দিন আসামী শান্তনা খাতুনের ছেলে আবু জুবায়েরের সঙ্গে খেলতে গিয়ে শিশু সাবার মারামারি হয়। একপর্যায়ে সাবার মাথায় আঘাত করেন শান্তনা খাতুন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ ঘরের ভেতর লুকিয়ে রাখেন শান্তনা খাতুন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আকিদুল ইসলাম বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে বিজ্ঞ আদালত আসামী শান্তনা খাতুনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আমরা আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য আপিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।

Halal Soap ,H.S.S. Road, Jhenaidah

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যটাগরির আরও খবর
© All rights reserved ©2026 realkhabor.com