
নরসিংদীর শিবপুরে জমি নিয়ে জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের বাসিন্দা রমজান আলীর বিরুদ্ধে। ধনাইয়া গ্রামের তিন বাসিন্দার অভিযোগ, জমি খারিজ বা নামজারি করে দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার পর কৌশলে বিভিন্ন স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। পরে সেই স্বাক্ষর ব্যবহার করে জমি কেনাবেচা বা বায়নার দাবি করা হয়।এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা।
শিবপুর উপজেলার ধনাইয়া গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম, কল্পনা বেগম ও ফালিমা বেগমের অভিযোগ, একই ধরনের কৌশলে তাদের জমি নিয়ে বিরোধে জড়িয়েছেন রমজান আলী।
রফিকুল ইসলামের দাবি, জমি খারিজ করে দেওয়ার কথা বলে তার কাছ থেকে প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেন রমজান আলী। পরে বিভিন্ন স্ট্যাম্পে কৌশলে তার স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর দাবি করা হয়, রফিকুল ইসলাম তার কাছে জমি বিক্রি করেছেন। তবে রফিকুল ইসলামের দাবি, তিনি জমি বিক্রি করেননি। তার অভিযোগ, প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের জমির জন্য ১০০ টাকার স্ট্যাম্পে ১৩ লাখ টাকা বায়নার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে, দলিলে থাকা কয়েকজন সাক্ষীর বক্তব্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, তাদের সামনে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। ফলে সত্যিই ১৩ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে সেই অর্থের উৎস ও পরিশোধের প্রমাণ কী—এসব বিষয় তদন্তের দাবি রাখে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, প্রতিবাদ করলে তাদের ভয়ভীতি ও মারধরের হুমকি দেওয়া হয়েছে। রমজান আলীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করার কথাও জানিয়েছেন তারা। রফিকুল ইসলামের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে চলমান রয়েছে বলেও জানা গেছে। তিন পরিবারের অভিযোগের ধরন এবং একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা আদালত বা তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার বিষয়।
অভিযোগকারীদের দাবি রমজান আলী একের পর এক সাধারণ মানুষকে জালজালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণার করে জমি হাতিয়ে নিচ্ছে এবং বড় অংকের টাকা উল্লেখ করা হচ্ছে কিন্তু তার কোন বৈধ আয়ের উৎস নেই তাই রমজান আলির আয়ের উৎস নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন এবং অভিযোগকারীরা দাবি করছে একের পর এক জালিয়াতির ও হুমকির পরও স্থানীয় প্রশাসন রমজান আলীর বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না এতে অভিযোগকারী সহ সাধারণ গ্রামবাসী আতঙ্কিত রয়েছে।