
যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের কেশবপুর কাদেরিয়া দরবার শরীফ ও খালিয়া এলাকায় নদীর দুই তীর নেট ও বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। এতে দরবার শরীফ, মাদ্রাসা ও নদীর পাড়ে চলাচলের পথ সংকুচিত হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের ভোগান্তি বেড়েছে। অভিযোগ তদন্ত করে বেড়া অপসারণ ও চলাচলের পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
নদী খননকাজ শেষ হওয়ার পর একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী নদীর দুই তীর ঘিরে ফেলে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। পরে দখল করা জমিতে গাছ লাগানো ও চাষাবাদ শুরু করা হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, বেড়ার কারণে নদীর পাড়ে সামান্য জায়গা অবশিষ্ট রয়েছে। ওই সংকীর্ণ পথ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। নদী থেকে পানি সংগ্রহসহ দৈনন্দিন কাজেও বাধা সৃষ্টি হয়েছে।

কেশবপুর কাদেরিয়া দরবার শরীফের প্রতিনিধি মাওলানা মোহাম্মদ হাসান রায়হান বলেন, “নদীর সামনের অংশে চলাচলের কোনো জায়গা রাখা হয়নি। এমনভাবে ঘিরে ফেলা হয়েছে যে নদী থেকে পানি তোলার মতো অবস্থাও নেই। এতে দরবার শরীফে আসা দর্শনার্থী, জুমার নামাজের মুসল্লি এবং মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অনেক দূর ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে। আমরা দায়িত্বশীল প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, “এখানে ঐতিহ্যবাহী দরবার শরীফ ও মাদ্রাসা রয়েছে। নদীর তীর দিয়ে শিশুরা খেলাধুলা ও চলাফেরা করত। কিন্তু দখলের কারণে এখন চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। আমরা চাই, নদীর পাড় দখলমুক্ত করে দ্রুত জনসাধারণের চলাচলের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।”
ভুক্তভোগীদের দাবি, নদীর তীর দখলের কারণে মানুষের চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় সামাজিক ও ধর্মীয় পরিবেশেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
নদীর তীরের কথিত অবৈধ দখল তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া, বেড়া অপসারণ এবং জনসাধারণের চলাচলের পথ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রশাসন ও বাঘারপাড়া উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।
প্রকাশকঃ মোঃ বিল্লাল হোসেন লিটু, সম্পাদকঃ মোঃ রবিউল ইসলাম রবি| Office Address: সমবায় মার্কেট, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সড়ক, ঝিনাইদহ| Phone number: +880 1711-138024| Gmail: realkhabor@gmail.com
ই-পেপার